
স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ ইব্রাহিম হাওলাদার
জামালপুর পৌরসভার দয়াময়ী মোড় সংলগ্ন এলাকায় অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রির তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে এক নাগরিক সাংবাদিককে হেনস্তা, হুমকি, মারধর ও মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সাংবাদিক সমাজ।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক এস এম সায়েম হোসেনের অভিযোগ, গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত আনুমানিক ১০টার দিকে দয়াময়ী মোড় সংলগ্ন যৌনপল্লীর ঠিক সম্মুখে অবস্থিতলোহানী মেডিকেলে অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রির বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে যান তিনি। এ সময় দোকানের স্বত্বাধিকারী রাসেল লোহানী তথ্য সংগ্রহে বাধা দেন এবং এক পর্যায়ে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, মোবাইল উদ্ধারের সময় তাকে মারধর করে জোরপূর্বক দোকানের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবৈধ ওষুধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে তাকে হুমকি ও হেনস্তা করা হয়। ঘটনার পর থেকে তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় আছেন।
এ ঘটনায় তিনি আইনগত প্রতিকার চেয়ে জামালপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডি নং- ১২০৪, তারিখ- ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় ওষুধ বিক্রির আড়ালে অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি হয়ে আসছে। ঘটনাস্থলে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও ঘটনার পর তা সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।
তিনি দাবি জানান, ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার সময়কে কেন্দ্র করে লোহানী মেডিকেলসহ আশপাশের প্রতিষ্ঠানগুলোর সিসিটিভি ফুটেজ দ্রুত সংরক্ষণ ও পরীক্ষা করা প্রয়োজন। সময় অতিবাহিত হলে পুরোনো ফুটেজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যেতে পারে।
প্রশ্ন উঠেছে, পুলিশ প্রশাসন কেন নড়েচড়ে বসছে না? ঘাতক দিবালোকে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে পুলিশের নাকের ডগায়। তবে প্রশাসনের তাৎক্ষণিক কোনো ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না।
একজন সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে এভাবে হেনস্তার শিকার হলে তা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকি। সাংবাদিকের উপর হামলাকারীকে অতি দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানাচ্ছেন সংবাদকর্মীরা। অন্যথায় সকল সাংবাদিক সমাজ ফুঁসে উঠবে।
আমরা এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।
ভাই, পোস্টটি সকলে শেয়ার করে দিন। আপনাদের একটা শেয়ারের কারণে আমরা অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারি।