
হৃদপিণ্ড যখন সুখের আশায় ক্ষুধার্ত,
তখন মানুষ দুঃখ দিয়ে বলে—’দুঃখিত’
সবচেয়ে অদ্ভুত বিষয় হলো, মানুষ দুঃখ দেওয়ার আগে কখনো অনুমতি চায় না। কিন্তু চলে যাওয়ার সময় খুব সহজেই বলে, “দুঃখিত।” যেন একটি শব্দই ভেঙে যাওয়া বিশ্বাস, নির্ঘুম রাত আর বুকভরা শূন্যতার মূল্য পরিশোধ করে দিতে পারে।
যে হৃদয় একটু যত্নের আশায় দিনের পর দিন অপেক্ষা করে, সেই হৃদয়ই সবচেয়ে বেশি আঘাত পায়। কারণ সুখের প্রত্যাশা যত গভীর হয়, ভাঙার শব্দও তত নীরব হয়। বাইরে থেকে মানুষ স্বাভাবিক থাকে, হাসে, কথা বলে; অথচ ভেতরে প্রতিদিন একটু একটু করে নিঃশেষ হয়ে যায়।
জীবন আমাকে শিখিয়েছে—সব ক্ষমা মানুষকে ফিরিয়ে আনে না, আর সব “দুঃখিত” অনুশোচনার প্রমাণ নয়। অনেক সময় এটি কেবল একটি বিদায়ের ভদ্র ভাষা।
তাই এখন আর কারও প্রতিশ্রুতিতে নয়, নিজের নীরবতায় বিশ্বাস রাখি। কারণ যে হৃদয় একবার ক্ষুধার্ত অবস্থায় প্রতারণা সহ্য করেছে, সে দ্বিতীয়বার সুখ চাইতেও ভয় পায়।
কিছু ক্ষত রক্ত ঝরায় না, শুধু মানুষটাকে চিরতরে বদলে দেয়। আর সেই বদলে যাওয়া মানুষটিই একদিন বুঝে যায়—সবচেয়ে ভারী শব্দটি “ভালোবাসি” নয়, বরং খুব শান্ত কণ্ঠে বলা একটি “দুঃখিত”। 🍀🖤