
গত ৪নভেম্বর ২৬ইং তারিখে দৈনিক গণমুক্তি পত্রিকায় “বাগমারায় নিজেদের টাকায় বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার কিনে বিপাকে গ্রাহক, এবং পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ১লাখ টাকা জরিমানা দিয়ে ৫৩ হাজারের রশিদ “শিরোনামে সহ আরো কিছু অনলাইন পত্রিকায় একই নিউজটি বিভিন্ন শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে যা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এখানে যা কিছু বলা হয়েছে তা পুরোটাই মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
গত আগস্ট মাসে বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ ব্যবহারের অভিযোগে বাগমারা উপজেলার ধামিন কৌড় গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে উজ্জল হোসেনকে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করার কারণে নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশ প্রাপ্তির পর ৩০-০৮-২৬ইং তারিখে উজ্জ্বল হোসেন তার বোন জামাই রবিউল ইসলামকে নিয়ে অফিসে এসে জরিমানা বাবদ ৫৩,৬৯৩ টাকা জমা দেন।ক্যাশ শাখায় জমা হওয়ার পরে তারা ৫৩,৬৯০টাকার রশিদ গ্রহণ করেন। এখানে অতিরিক্ত টাকা গ্রহণের কোন সুযোগ নেই। এক লক্ষ টাকা গ্রহণের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। বর্ণিত ব্যক্তির অভিযোগের সাথে হাটগাঙ্গোপাড়া সাব-জোনাল অফিস তথা নাটোর পবিস-১ এর কোন সম্পৃক্ততা নেই।
বাগমারা উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের খন্দকার ফারুক হোসেন ২০১২ সালে একটি ট্রান্সফরমার ক্রয় করে সেচ সংযোগ গ্রহণ করেন। ২০২৩সালে তিনি আরো দুটি ট্রান্সফরমার ক্রয় করে ১ফেজ থেকে ৩ফেজ সংযোগ গ্রহণ করেন। তার চাহিত তিনটি ট্রান্সফরমারের মূল্য ফেরত প্রদানের বিষয়টি সত্যতা যাচাইপূর্বক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সার্কুলার মোতাবেক স্মারক নং ২৭.০০০০.০১৬.৭৪.০৪২.২২.১৪৪,তারিখ ০১-০২-২২ইং মোতাবেক শিল্প ও সেচ সংযোগের নিমিত্তে গ্রাহক কর্তৃক ক্রয়কৃত ট্রান্সফারের মূল্য (বাপবিবো’র নির্ধারিত মূল্য বা গ্রাহক কর্তৃক ক্রয়কৃত মূল্য যা কম হয়) গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল হতে পর্যায়ক্রমে (কিস্তিতে) সমন্বয় পূর্বক গ্রাহককে ফেরত প্রদানের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে বর্তমানে গ্রাহকের লোড বৃদ্ধির সময় ক্রয়কৃত ০২টি১০কেভিএ ট্রান্সফরমারের মূল্য বাবদ৪৪,৮৮৭×২=৮৯,৭৭৫/- টাকা হতে মোট ৮৮,৯৭৪টাকা সমন্বয় করা হয়েছে এবং অবশিষ্ট ৮০১ টাকা সমন্বয় যোগ্য আছে। উল্লেখ্য যে গ্রাহকের ক্রয়কৃত প্রতিটি ১০কেভিএ ট্রান্সফরমারের মূল্য ৬৭,২০০টাকা এবং বাপবিবোর্ডের অনুমোদিত একক মূল্য মোতাবেক একটি ১০কেভিএ ট্রান্সফারের মূল্য ৪৪,৮৮৭.৫০টাকা। ট্রান্সফর্মার এর মূল্য বাবদ অত্রাঅফিস থেকে তার কোন (৮০১/- টাকা ব্যতীত)পাওনা নেই।বিষয়টি তাকে অবহিত করা হয়েছে।উল্লেখ্য যে মে/২০২৫ হতে মে/২০২৬(১৩)মাস পর্যন্ত মোট ৬৭,২০০ টাকা বকেয়া বিল থাকায় গত ২৩-৫-২৬ ইং তারিখে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত হওয়ার পরে ফারুক হোসেন কিস্তিতে বকেয়া বিল পরিশোধের আবেদন করেন,কিস্তি চলমান আছে।
বিগত ২৭অক্টোবর বিলিং সহকারি কিস্তি চলমান থাকা অবস্থায় ভুলবশত বকেয়া শীটে নাম প্রকাশিত হওয়ায় ফারুক হোসেনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। ভুলবশত বিচ্ছিন্ন হওয়ার খবরটি জানার সাথে সাথে কোন রকম হয়রানি ছাড়াই সংযোগ পূর্ন স্থাপন করা হয়।ইতিপূর্বে ফারুক হোসেনের সেচ প্রকল্পের ভিতরে বাড়ির মিটার থেকে জমিতে সেচ দেয় মর্মে অভিযোগ থাকায় তা জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার কর্তৃক সরজমিনে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এখানে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।ফারুক হোসেনের অভিযোগের সাথে হাটগাঙ্গোপাড়া সাব জোনাল অফিস তথা নাটোর পবিস-১ এর কোন সম্পৃক্ততা নেই।কাজেই এ ধরনের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদের আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী
মোঃ আব্দুল মান্নান
এজিএম(ওএন্ডএম)
হাটগাঙ্গোপাড়া সাব-জোনাল অফিস
নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১